বিকাশ ১০ হাজার টাকা লোন ২০২৩ । প্রথম বিকাশ লোন সফলভাবে পরিশোধ করলে ২য় ঋণ কি ১৫০০০ টাকা?

বিকাশে ১৫০০০ টাকার লোনে সুদ ও প্রসেসিং ফি বাবদ  ২৭১ টাকা ৩ মাসে দিতে হবে– বিকাশ ১০ হাজার টাকা লোন ২০২৩

বিকাশ লোন লিমিট কত? প্রথমে ১০ হাজার টাকা ঋণ প্রদান করা হয় এবং পরবর্তীতে প্রথম ঋণ পরিশোধ করলে ১৫ হাজার টাকা ঋণ প্রদান করে সিটি ব্যাংক। সুদ বাবদ খুব কমই সুদ প্রদান করতে হয়। ১৫ হাজার টাকার জন্য সর্বমোট ২৭১ টাকা তিন মাসে কর্তন করবে। দ্বিতীয় ঋণ সফলভাবে পরিশোধ করলে ৩য় ঋণ ২০,০০০ টাকা দেওয়া হয়।

বিকাশ লোন পরিশোধ – ব্যাংক লোন এখন আপনার হাতের মুঠোয়! কারণ, সিটি ব্যাংক নিয়ে এলো বিকাশ গ্রাহকদের জন্য কোনো কাগজপত্র ছাড়া মুহূর্তেই লোন নেওয়ার সুবিধা। কেন বিকাশ অ্যাপের মাধ্যমে সিটি ব্যাংক থেকে লোন নেবেন কারণ বিকাশে আবেদন করার সাথে সাথেই লোন পাবেন। বিকাশে ৩ মাস মেয়াদী লোন পাওয়া যায়।  এজন্য কোনো ব্যাংক একাউন্ট বা জামানত লাগবে না। কোনো কাগজ-পত্র লাগবে না। একাউন্ট ব্যালেন্স থেকেই অটো-কিস্তি পরিশোধের সুবিধা রয়েছে তাই কিস্তি জমার ঝামেলা নাই। লোনের উপর ব্যাংক প্রসেসিং ফি ০.৫৭৫% (০.৫% + ভ্যাট) টাকা সব মিলিয়ে ১৫ হাজার টাকার জন্য ১৮৫ টাকা সুদ দিতে হবে এবং প্রসেসিং ফি বাবদ ৮৬.২৫ টাকা কাটবে। বিকাশে ১০ হাজার টাকা ঋণ পাওয়ার নিয়ম । বিকাশ লোন কারা পাবে?

বিকাশ লোন কারা পাবে? বিকাশে নিয়মিত যারা লেনদেন করবে তাই বিকাশ লোন পাবেন। এই লোন সুবিধার আওতায় একজন গ্রাহক বিকাশ অ্যাপ দিয়ে সিটি ব্যাংক থেকে ৫০০ টাকা থেকে ২০,০০০ টাকা পর্যন্ত লোন গ্রহণ করতে পারবেন। গ্রাহকের বিকাশ একাউন্টে এই লোনের টাকা জমা হবে এবং বিকাশ একাউন্ট থেকে গ্রাহক এই লোনের টাকা উত্তোলন করতে পারবেন। একজন গ্রাহক একবারে একটি লোনই নিতে পারবেন। বাংলাদেশ ব্যাংক-এর নির্দেশনা অনুযায়ী লোন অ্যামাউন্টের উপর বাৎসরিক ৯% ইন্টারেস্ট রেট প্রযোজ্য হবে।

বিকাশ দিয়ে ১০ হাজার টাকা ঋণ পাওয়ার নিয়ম । বিকাশ লোন কারা পাবে?

ব্যাংক হিসাবে ব্যবহৃত মোবাইল নম্বর দিয়ে বিকাশ হিসাব খুলুন। বিকাশে একটি ডিপিএস খুলুন তাতে বিকাশ কর্তৃপক্ষ আপনাকে ভাল গ্রাহক হিসেবে বিবেচনা করবে। এছাড়া নিয়মিত ব্যক্তিগত বিকাশ নম্বরে লেনদেন করলে বিকাশ লোন পাওয়া যায়।

Caption: Bkash Loan

লোন পরিশোধের নিয়ম । বিকাশ থেকে লোন নিতে চাই । টাকা লোন নেওয়ার উপায় কি?

  1. লোন অ্যাপ্লাই করার সময় ও লোন পাওয়ার পর ড্যাশবোর্ড-এ গ্রাহক লোন কিস্তির পরিমাণ ও পরিশোধের তারিখ দেখতে পাবেন।
  2. গ্রাহক চাইলে লোন পরিশোধের নির্দিষ্ট তারিখে গ্রাহকের বিকাশ একাউন্ট থেকে নির্দিষ্ট পরিমাণ অর্থ অটো ডেবিট হিসেবে কেটে নেয়া হবে। অথবা,
  3. গ্রাহক চাইলে নির্দিষ্ট দিনের আগে নিজেই লোনের অর্থ পরিশোধ করতে পারেন, যার ফলে ইন্টারেস্টের খরচ কমে আসার সুবিধা পেতে পারেন।
  4. নির্দিষ্ট তারিখে গ্রাহকের বিকাশ একাউন্টে যথাযথ পরিমাণ অর্থ না থাকলে এবং নির্দিষ্ট দিনের আগেই লোনের অর্থ গ্রাহক কর্তৃক পরিশোধ না করা হলে, সেক্ষেত্রে বিলম্ব ফি প্রযোজ্য হবে।
  5. বিলম্ব ফি’র হার লোনের পরিমাণের উপর বাৎসরিক ২%।


বিকাশ সহজ কিস্তিতে লোন কাদের জন্য?

ঋণ প্রদানের নীতিমালা অনুযায়ী, সিটি ব্যাংক নির্দিষ্ট বিকাশ গ্রাহকদের এই লোন সুবিধা প্রদান করবে। আপনি বিকাশ গ্রাহক হিসেবে সিটি ব্যাংক থেকে লোন পাবেন কি না, তা জানতে বিকাশ অ্যাপের লোন অপশনে যান। ইন্টারেস্ট রেট, প্রসেসিং ফি, লোন লিমিট, লোন পরিশোধের নিয়মাবলি, লোন পাওয়ার যোগ্যতা, এবং ক্রেডিট পলিসি নির্ধারণের ক্ষমতা বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্দেশনা অনুযায়ী সিটি ব্যাংক কর্তৃক সংরক্ষিত। প্রতিমাসে নির্দিষ্ট তারিখে অটো ঋণের কিস্তি কেটে নিবে। নির্ধারিত তারিখের পরে কিস্তি পরিশোধে অতিরিক্ত সুদ গুনতে হবে।

বিকাশ লোন ২০২৩ | বিকাশ থেকে কিভাবে লোন নেওয়া যায়?

3 thoughts on “বিকাশ ১০ হাজার টাকা লোন ২০২৩ । প্রথম বিকাশ লোন সফলভাবে পরিশোধ করলে ২য় ঋণ কি ১৫০০০ টাকা?

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *