IFIC Bank Bond Issue 2024 । বেক্সিমকো বন্ডে প্রতি লাখে মাসে ১২৫০ টাকা দিবে?

বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি) অনুমোদিত বেক্সিমকো ফার্স্ট আনসিকিউরড জিরো কুপন বন্ড। ১৫% মুনাফায় সর্বোচ্চ হারে ১ লাখ টাকা বিনিয়োগ করলে প্রতি মাসে পাবেন নিট ১,২৫০ টাকা এবং ৫ বছর শেষে ১ লাখ টাকা– IFIC Bank Bond Issue 2024

কোম্পানির বন্ড কেনা যাবে যে কোন শাখা হতে? হ্যাঁ। আইএফআইসি ব্যাংকের যে কোন শাখা হতে বন্ড কেনা যাবে। মেয়াদপূর্তিতে মূল টাকা-সহ ফেরত পাবেন সর্বমোট ১,৭৫,০০০ টাকা। মাস শেষে টাকা সরাসরি একাউন্টে জমা হবে। সর্বনিম্ন বিনিয়োগ ৫০,০০০ টাকা এবং বিনিয়োগের কোনো উর্ধ্বসীমা নেই।

বন্ড কি যে কোন সময় কেনা যায়? না। ১৫০০ কোটি টাকার সম্পূর্ণ নির্ভরযোগ্য জিরো কুপন বন্ড আগে এলে আগে পাবেন ভিত্তিতে কেনার সীমিত সুযোগ।বন্ড কিনতে পারবেন আইএফআইসি ব্যাংকের যেকোন শাখা-উপশাখায়। বিস্তারিত তথ্যের জন্য কল করুন ১৬৯০০ নম্বরে বা ভিজিট করুন: https://zcbond.beximcoltd.com । অকশনের নির্ধারিত তারিখ ও সময়ে বন্ড ক্রয় করতে হয়।

সবাই কি বন্ড কিনতে পারে? না। সাধারণত সব ট্রেজারি বন্ড সবাই কিনতে পারে না। বন্ড ইস্যুর আগেই ইস্যুকারী প্রতিষ্ঠান বা কোম্পানি নিজেরাই ঠিক করে নেয় কাদের কাছে তারা এ বন্ড বিক্রি করবে। সেই অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট নিয়ন্ত্রক সংস্থার কাছ থেকে বন্ডের অনুমোদন নেওয়া হয়। যেসব প্রতিষ্ঠান বা ব্যক্তিশ্রেণি সাধারণ বিনিয়োগকারীদের জন্য বন্ড ইস্যু করে, সেসব বন্ড প্রাথমিক গণপ্রস্তাব বা আইপিওর মতো শেয়ারবাজারে ব্রোকারেজ হাউসের মাধ্যমে কেনা যায়। সেই ক্ষেত্রে নির্ধারিত সময়ে ব্রোকারেজ হাউসের মাধ্যমে আবেদন করতে হয়। আর যেসব বন্ড শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত হয়, সেগুলো শেয়ারবাজার থেকে যখন ইচ্ছা তখন কেনাবেচা করা যায়। সাধারণত ট্রেজারি বন্ডের মেয়াদ হয়ে থাকে ২ বছর, ৫ বছর, ১০ বছর, ১৫ বছর এবং ২০ বছর।

দেশ বা প্রবাস হতে আপনি বন্ড ক্রয় করতে পারবেন / প্রবাসী বাংলাদেশীদের জন্য বিনিয়োগের অন্যতম শ্রেষ্ঠ উপায়

বন্ড কিছুটা স্টক মার্কেটের মত। এখানে লাভ যেমন বেশি ঝুঁকিও কিছুটা বিদ্যমান। রেট কমলে আপনি কম রেটেই পাবেন।

Caption: info source

গভর্নমেন্ট ট্রেজারি বিল লেনদেন ২০২৪ । কিভাবে ট্রেজারি বন্ড ক্রয়-বিক্রয় করা যায়?

  1. বাংলাদেশের নিবাসী অথবা অনিবাসী যেকোন ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান, ট্রেজারি বন্ডে বিনিয়োগ করতে পারেন। এসব বন্ডে বিনিয়োগ করতে হবে অন্তত এক লাখ টাকা বা এর গুণিতক। ট্রেজারি বন্ডে সুদ গ্রহণের সময় পাঁচ শতাংশ কর দিতে হয়।
  2. সাধারণ ব্যবস্থায় বাণিজ্যিক ব্যাংকের মাধ্যমে বিজনেস পার্টিসিপেন্ট আইডি (বিপি আইডি) খুলে বন্ড ক্রয়-বিক্রয় করা হয়ে থাকে। কিন্তু পুঁজিবাজারে যাদের বিও বা বেনিফিশিয়ারি ওনার্স অ্যাকাউন্ট রয়েছে, তারা সেই অ্যাকাউন্ট থেকেই বন্ড কিনতে পারবেন।
  3. আবার বিও অ্যাকাউন্ট আছে এমন যাদের কাছে বন্ড রয়েছে, তারা সেই হিসাব বা অ্যাকাউন্ট থেকেই বন্ড বিক্রি করতে পারবেন। সেজন্য তাদের বন্ডটি বিপি আইডি থেকে বিও অ্যাকাউন্টে স্থানান্তর করতে হবে। সংশ্লিষ্ট ব্রোকারেজ হাউজে যোগাযোগ করলেই তারা এ সংক্রান্ত ব্যবস্থা নেবে।
  4.   তবে পুঁজিবাজারে যারা তালিকাভুক্ত রয়েছেন, তাদের বন্ড কেনার জন্য আলাদা বিপি আইডি খুলতে হবে না। এক্সচেঞ্জ থেকে বন্ড কেনার সাথে সাথে বাংলাদেশ ব্যাংকের সার্ভারে তার বিপি আইডি তৈরি হয়ে যাবে।
  5. ট্রেজারি বন্ড অন্তত একটি লট ধরে কিনতে হবে, যার মূল্যমান হতে পারে অন্তত এক লাখ টাকা। এগুলো ক্রয়-বিক্রয়ের ম্যাচুরিটি হবে সাধারণ শেয়ারের মতোই।

বিও একাউন্ট কোম্পানিকে মেইলে জানালেই হবে?

হ্যাঁ। ট্রেজারি বন্ডের অকশনগুলো সাপ্তাহিক ভাবে প্রতি মঙ্গলবার হয়ে থাকে। যারা আবেদন করতে ইচ্ছুক তারা রবিবার বিকাল ৩ টার মধ্যে accounts@bd.com (আপনার বিও কোম্পানি) অ্যাড্রেসে ইমেইল করবেন। ইমেইলে জানাতে হবে, আপনি কত টাকা বিনিয়োগ করতে ইচ্ছুক সেটা উল্লেখ করতে হবে। সর্বনিম্ন ১ লক্ষ টাকা বিনিয়োগ করতে হবে। কেউ যদি ২ টা ট্রেজারি বন্ডের জন্য আবেদন করতে চান তাকে ২ লক্ষ টাকা বিনিয়োগ করতে হবে। এরকম আনুপাতিক হারে আপনার বিনিয়োগের পরিমান বাড়াতে পারেন। অকশন ক্যালেন্ডার অনুযায়ী আপনি ট্রেজারি বন্ড কত মেয়াদের জন্য এবং কোন তারিখে কিনতে চান সেটা জানাতে হবে।

বিও একাউন্ট থেকে বন্ড ক্রয়-প্রক্রিয়া ২০২৪ । স্টক মার্কেট সিকিউরিটিজ বন্ড ক্রয়-বিক্রয় করা যায়?

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *