লোন পাওয়ার মূল ক্রাইটেরিয়া গুলো – প্রথমত আপনার আয়ের উৎসগুলো দ্বারা ঋণ পরিশোধের সক্ষমতার প্রমাণ দাখিল করতে হবে – মাসিক আয় হতে কিস্তির পরিমাণ বাদ দিলে অবশিষ্ট অর্থ হতে আপনি সহজেই জীবন যাত্রার ব্যয় নির্বাহ করতে পারেন কিনা সেটিও বিবেচ্য বিষয়।

সোনালী ব্যাংকের ২০ লক্ষ টাকা ঋণের মেয়াদ সর্বোচ্চ ৮ (আট) বছর বা চাকুরির মেয়াদকাল (পিআরএলসহ) পর্যন্ত হতে পারবে। ঋণ মঞ্জুরির ক্ষেত্রে ঋণের পরিমাণ এমণ ভাবে নির্ধারণ করতে হবে যাতে ঋণের মাসিক কিস্তির পরিমাণ ঋণ গ্রহীতার মাসিক নীট বেতনের বেশী না হয়। ২০ লক্ষ টাকা ঋণের ক্ষেত্রে ৮ বছরে মেয়াদে মাসিক কিস্তি আসবে ২৯,৩০০ টাকা। যদি ১ লক্ষ টাকা ৮ বছর মেয়াদে ঋণ নেয়া হয় তবে মাসিক কিস্তি আসবে ১৪৬৫ টাকা মাত্র। সোনালী ব্যাংক ২০ লক্ষ টাকা ৮ বছর মেয়াদ পার্সোনাল লোন পরিপত্র ২০২২

যেকোনো ব্যাংক ঋণ দেয়ার ক্ষেত্রে বিবেচনা করে যে, সে ঋণের টাকা ঠিকমতো ফেরত পাবে কিনা। কোন গ্রাহক যদি এটা প্রমাণ করতে পারেন যে, যে উদ্দেশ্যে তিনি ঋণ চাইছেন, সেটা সঠিক, তিনি যথাসময়ে ঋণের টাকা সুদসহ ফেরত দিতে পারবেন, তখনই তাকে ব্যাংক ঋণ দিতে সম্মতি দেয়।

ব্যক্তিগত চাহিদা পূরণে ব্যাংক ঋণ / ব্যাংক ঋণ নেয়ার ক্ষেত্রে যে ডকুমেন্ট গুলো আবশ্যিকভাবে লাগবে

সোনালী ব্যাংক বা অন্য যে কোন ব্যাংক লোন নেওয়ার ক্ষেত্রে ডকুমেন্টগুলো আপনাকে দিতেই হবে।

পারসোনাল লোন নিতে কি কি কাগজপত্র লাগে

Caption: Mandatory Documents for Bank Loan । Documents for personal Loan from any Bank

যে ডকুমেন্টগুলো ছাড়া আপনি ব্যক্তিগত ব্যাংক লোন পাবেন না

  1. আবেদনকারীর রঙিন ফটো ২ কপি (পাসপোর্ট সাইজ)
  2. আবেদনকারীর আইডি কার্ড ফটোকপি -২ কপি (জাতীয় পরিচয়পত্রের কপি)
  3. জিম্মাদারের রঙিন ফটো ২ কপি-গ্যারান্টরের পাসপোর্ট সাইজের ছবি।
  4. জিম্মাদারের আইডি কার্ড ফটোকপি-২ কপি -গ্যারান্টরের জাতীয় পরিচয়পত্র কপি।
  5. স্পাউজ গ্যারান্টরের (স্ত্রী/স্বামী) রঙিন ফটো ২ কপি
  6. স্পাউজ গ্যারান্টরের (স্ত্রী/স্বামী)আইডি কার্ড ফটোকপি-২ কপি
  7. ৩০০ টাকার নন-জুডিশিয়াল স্ট্যাম্প
  8. ৩০০ টাকার এডেসিভ স্ট্যাম্প
  9. ১০ টাকার রেভেন্যু স্ট্যাম্প-৭ টি = ৭০ টাকা
  10. প্রভিডেন্ট ফান্ড ব্যালেন্স সার্টিফিকেট
  11. জিম্মাদার ও ঋণগ্রহীতার স্বাক্ষরিত ব্ল্যাঙ্ক চেক।

ঋণ নেয়ার পর কি সুদের হার ব্যাংক বৃদ্ধি করতে পারে?

ব্যাংক লোনের সুদের হার বৃদ্ধি – হ্যাঁ অবশ্যই পারে। উদাহরণ হিসেবে একজন ব্যক্তির বাস্তব অভিজ্ঞতা থেকে বলা যায়” বেসরকারি ব্যাংক থেকে অ্যাপার্টমেন্ট কেনার জন্য সাড়ে নয় শতাংশ সুদে ৩০ লাখ টাকা ঋণ নিয়েছিলেন। কিন্তু এক বছর পরেই ব্যাংক তার সেই সুদ হার সাড়ে ১২ শতাংশ করে ফেলে। ”আমি যখন ব্যাংকের শাখায় গিয়ে অভিযোগ করি, তখন তারা আমাকে কাগজপত্রের ভেতর শর্ত দেখান যে, ব্যাংক বিভিন্ন সময় সুদের হার পরিবর্তন করতে পারবে। ফলে আমাকে সেটা মেনে নিতে হয়েছে।”